08 October 2008

প্রেসিডেন্টত্রয়ের উড়োজাহাজ ভ্রমন পর্ব-১

বুশ, গরবাচভ আর এরশাদ এয়ারফোর্স ওয়ানে চড়ে যাচ্ছে। মাঝ আকাশে যান্ত্রিক গোলোযোগ। ক্র্যাশ করবি তো কর এক্কেবারে আফ্রিকায়... গহিন অরণ্যে। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলো তিনজনই। কিন্তু ধরা পড়লো জংলিদের হাতে। তিনজনকেই উপ্তা করে বেঁধে গ্রামের প্রধানের কাছে উপস্থিত করা হলো।

প্রধান এই মারে তো সেই মারে, "শালা হুমুন্দির পুতেরা! আমাদের পবিত্রস্থানে তোরা ক্যামনে আসলি?"

বুশ যতই বোঝায় ইচ্ছে করে আসেনি, প্লেন ক্র্যাশ করেছে, কাজ হয়না।

প্রধান বলে, "শাস্তি একটাই। মৃত্যুদন্ড!"

গরবাচভ হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে, "স্যার, আপনি য্যামন এই গ্রাম চালান, আমরাও আমাদের দেশ চালাই। এভাবে মেরে ফেললে আমাদের দেশের অসহায় মানুষগুলোর কি হবে ভাবুন?"

প্রধান একটু ভাবে। এরপর বলে, "আচ্ছা একটা সুযোগ তোদেরকে দেয়া যায়। যা জঙ্গলে যা। গিয়ে আগে দেখি নাই এমন কোনো ফল নিয়ে আয়। যদি আনতে পারিস তাইলে ছেড়ে দেবো। না পারলে যে ফল আনবি সেটা তোদের গুহ্যদ্বার দিয়ে ঢুকায়ে দিবো।"

তিনজনেই পরিমরি করে দৌড় লাগায়।

একটু পরে দেখা যায় গরবাচভ আসতেছে। মুখে হাসি। হাতে কমলা।

প্রধান দেখে সেই রকম বিরক্ত, "আবালটার কান্ড দ্যাখ! কমলা নিয়ে আসছে! কমলা কে চিনে না ক?"

গরবাচভের গুহ্যদ্বার দিয়ে কমলা ঢুকে যায়।

একটু পরে দেখা যায় বুশ আসতেছে। হাতে কলা।

গ্রাম-প্রধান চটাশ করে বুশের গালে হাত চালায়, "জঙ্গলে যেই দিকে তাকাই সেই দিকেই কলা... আর এই আবালটা হাতে করে কলা নিয়ে আসছে!"

বুশের পেছন দিয়ে কলা ঢুকে যায়।

হঠাৎ গরবাচভ বিস্ময় নিয়ে দেখে দেখে বুশ হাসে। তাও যেই সেই হাসি না, হোঃ হোঃ করে একদম অট্টহাস্য। এতো বেশি হাসি যে হাসির দমকে চোখে পানি চলে এসেছে।

গরবাচভ আর থাকতে পারে না। বলে, "পাছায় একটা কমলা নিয়ে আমি ব্যাথা সহ্য করতে পারতেছিনা... আর তুমি কলা নিয়ে ক্যামনে হাসো?"

বুশ কোনো রকমে হাসি থামিয়ে বলে, "আসার সময় এরশাদকে দেখলাম কাঁঠাল নিয়ে আস্তেছে..."

0 comments: