আগেরবারের ভ্রমন মাস্ত হয় নাই দেখে বুশ, গরবাচভ আর এরশাদ আবার বের হয় এয়ারফোর্স ওয়ানে চড়ে। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। আবার যান্ত্রিক গোলোযোগ। আবার ক্র্যাশ। সেই একই জঙ্গলে।
তিনজনকে উপ্তা করে বেঁধে গ্রাম-প্রধানের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রধান বলে, "এই কয়দিন আগেই না তোগোরে কইলাম, এই এলাকায় আবার দেখলে পুঁইতা ফালামু?"
গরবাচভ শুরু করে, "স্যার, আপনি যেমন এই গ্রাম চালান, তেমনি আমরাও..."
প্রধান দড়াম ধমক দেয়, "চোপ! এক গল্প কয়বার শুনাইবি?"
বুশ শুরু করে হাউমাউ কান্না। বুশের কান্না দেখেই মনে হয় প্রধানের দিলে মায়া জাগে। বলে, "আচ্ছা ঠিকাছে। তোদের দুইট চয়েস। বল পোঙ্গা খাবি? না মারা যাবি?"
বুশ ভেবে দেখে পোঙ্গা জিনিসটা ভালো নয় বটে, তবে জীবন তো বাঁচবে। সে বলে, "স্যার, পোঙ্গা!"
প্রধান দশ দশাসই যুবককে ডেকে বলে, "দে! ইচ্ছা মতো পোঙ্গা দে।"
পোঙ্গা খেয়ে পাছা চেপে এক কোনায় গিয়ে দাঁড়ায় বুশ।
প্রধান এবার গরবাচভ এর দিকে তাকায়, "বল, তুই বল। কি করবি?"
গরবাচভ একবার বুশ, একবার প্রধানের দিকে তাকায়। এরপর সিদ্ধান্ত নিয়ে বলে, "পোঙ্গা খাবো স্যার!"
গ্রাম-প্রধান এইবার বিশজন জওয়ানকে ডাকে, "দে এরে পোঙ্গা দে!"
পোঙ্গা শেষে পাছা চেপে কোনো রকমে হাঁচড়ে-পাঁচড়ে বুশের পাশে গিয়ে দাঁড়ায় গরবাচভ।
এবার এরশাদের পালা। "বল তুই কি করবি?"
এরশাদের মুখে কেমন কঠোর প্রতিজ্ঞা দেখা যায়। সে বলে, "আমার একটা ইজ্জত আছে। দেশে সবাই আমারে বিশেষ রেসপেক্ট করে। আমি এইভাবে পোঙ্গা খাইতে পারি না। আমি মৃত্যুদন্ড নিবো।"
গ্রাম-প্রধান এরশাদকে কিছু বলে না। এইবারে ত্রিশ জওয়ানকে ডাকে। ডেকে বলে, "এইবার এইটারে পোঙ্গা মারতে মারতে মাইরা ফেল!"
0 comments:
Post a Comment